Hepatitis B symptoms-Treatment of hepatitis B

হেপাটাইটিস বি হলে করনীয় কি? হেপাটাইটিস বি এর লক্ষণ কি কি

আমরা প্রতিনিয়ত লিভারের রোগে আক্রান্ত রোগীর কথা শুনে থাকি লিভারের রোগ বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে

  • স্বল্পমেয়াদী 
  • দীর্ঘমেয়াদী

স্বল্পমেয়াদী রোগের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রোগটি হলো অ্যাকিউড ভাইরাল  Hepatitis B
যার লক্ষণ আমাদের সবার কাছে খুবই সুপরিচিত জন্ডিস হিসেবে , কিন্তু বর্তমানে আরো বিভিন্ন ধরনের স্বল্পমেয়াদী রোগ পরিবর্তন হয়েছে যা চিকিৎসকের জন্য বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ,যেমন , চিকুনগুনিয়া ডেঙ্গু ইত্যাদি এই ভাইরাস যুক্ত জ্বর অবস্থায় আমাদের লিভার অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয় যা সকলের জন্য খুবই ক্ষতিকর বা হুমকি স্বরূপ ,
আরো রোগ রয়েছে যেমন লিভার অ্যাবসেস লিভারে পুঁজ জমে যাওয়া আবার কখনও কখনও ক্ষতিকর ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে লিভারে কিছু স্বল্পমেয়াদী রোগ জন্ম নেয় টাইফয়েড ,টাইফয়েড হলে ও লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয় আবার কেউ যদি বেশি অ্যালকোহল খেয়ে ফেলে বা অ্যালকোহলে আসক্ত তখনো ও কিছু কিছু স্বল্পমেয়াদী লিভার রোগ দেখা দেয় এবার আসা যাক দীর্ঘমেয়াদী রোগের ক্ষেত্রে একজন লিভারের রোগে আক্রান্ত রোগীর কাছে কিছুটা হুমকিস্বরূপ স্লিপারের দীর্ঘমেয়াদি রোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সাধারণ রোগ হলো বা যা প্রায় লিভারের রোগে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে আমরা দেখতে পাই সেটি হল লিভার সিরোসিস,এর পরেই আমাদের দেশে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত লিভার রোগটি হলো ফ্যাটি লিভার এবং এরপরেই হলো  Hepatitis B এবং C লিভারের দীর্ঘমেয়াদি রোগের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকারক রোগটি হলো যা হলে একজন রোগীর বেঁচে থাকার আশা খুবই কম থাকে তা হল লিভার ক্যান্সার এটি লিভারের খুবই ক্ষতিকারক একটি রোগ প্রথমে লিভারের স্বল্প মেয়াদী রোগ নিয়ে বলা যাক যার মধ্যে অন্যতম যাকে হেপাটাইটিস বলা হয় . কিন্তু সবাই আমরা জন্ডিস হিসেবে পরিচিত সাধারণ মানুষের কাছে এটি পরিগণিত জন্ডিস হিসেবেই বিভিন্ন রোগ হলে।
যেমন জ্বর হয় যেমন ডেঙ্গু হলে জ্বর হয় টাইফয়েড হলে জ্বর হয় চিকুনগুনিয়া হলে জ্বর হয় কিন্তু জ্বর কোন রোগ না রোগ হলো ডেঙ্গু টাইফয়েড ডেঙ্গু চিকিৎসা করলে ডেঙ্গু রোগ ভালো হয়ে যাবে টাইফয়েড এর চিকিৎসা করলে ভালো হয়ে যাবে ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা করলে ম্যালেরিয়া ভালো হয়ে যাবে,
কিন্তু একজন ম্যালেরিয়া রোগীকে যদি আমরা ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেই তাহলে কিন্তু সে ভালো হবে না তেমনি যদি কোনো মানুষের অল্প সময়ের মধ্যেই লিভারটি দুর্বল হয়ে যায় তাহলে প্রাথমিক অবস্থায় জ্বর থাকে একটি হালকা থেকে তীব্র হতে পারে শরীর ম্যাজম্যাজ করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গেব্যথা থাকে পেটে ব্যথা হয় বমি বমি ভাব হয় খাওয়ায় অরুচি হয় এবং আস্তে আস্তে চোখ হলুদ হয়ে যায় এ পুরো লক্ষণ কে আমরা জন্ডিসের লক্ষণ হিসেবে জানি ।
কিন্তু আসলে রোগটির নাম হচ্ছে হেপাটাইটিস বি বা জন্ডিস যার বাহ্যিক লক্ষণ হচ্ছে জন্ডিস যেমন রোগের নাম ম্যালেরিয়া বাহ্যিক লক্ষণ জ্বর হয় রোগের নাম টাইফয়েড বাহ্যিক লক্ষণ জ্বর রোগের নাম ডেঙ্গু বাহ্যিক লক্ষণ জ্বর প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা রোগ যেকোনো কারনেই রোগগুলো হতে পারে রাসায়নিক কারণে হোক জীবানুর জন্য হোক বিভিন্ন কারনে এ রোগ  গুলো হয়েছে জন্ডিস বা হেপাটাইটিস আমাদের দেশে বেশি হয়ে থাকে আমাদের দেশে বিভিন্ন পানিবাহিত ভাইরাস রয়েছে হেপাটাইটিস এ ভাইরাস হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এটা সচরাচর মানুষের দেহে প্রবেশ করলে প্রথমদিকে জ্বর থেকে শরীর ম্যাজম্যাজ করে একটু হালকা হালকা বমি হতে পারে পরের দিকে গিয়ে চোখ হলুদ হয়ে যায় এগুলোই সাধারণত হয়ে থাকে । 

হেপাটাইটিস বি-এর লক্ষণ
  • ক্লান্ত ও দুর্বল বোধ
  • ক্ষুধা মন্দা
  • পেটে ব্যথা বা বমি বমি ভাব
  • হলুদ চোখ ও কোন কোন সময় হলুদ ত্বক (হাতের তালুতে এবং পায়ের পাতার তলায়)
  • বাদামী, কোলা-রঙয়ের মূত্র, সাদাটে মল
Hepatitis B symptoms-Treatment of hepatitis B

Hepatitis B symptoms-Treatment of hepatitis B.

 Hepatitis B বা জন্ডিস ও স্বল্পমেয়াদী একটি লিভার রোগ কখনো কখনো যদি হেপাটাইটিস বি ভাইরাস শরীরে রয়ে যায় ছয় মাস এর অধিক সময় ধরে তাহলে আমরা এটিকে দীর্ঘমেয়াদী হেপাটাইটিস বি ভাইরাস বলে থাকি ,আর হেপাটাইটিস সি ভাইরাস এটি শুরু থেকেই ক্রনিক হেপাটাইটিস বা দীর্ঘমেয়াদী লিভার রোগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এর লক্ষন প্রথমে প্রকাশিত হয় না ধীরে ধীরে প্রকাশ হতে থাকে লক্ষণ তারপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমরা এ রোগ সম্পর্কে জানতে পারি .
এছাড়াও কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যেমন ইকোলাই যা পেটের পীড়ার অন্যতম কারণ ইউরিন এর সমস্যা ও এ এর জন্য হয়ে থাকে যখন ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা অনেক বেড়ে যায় তখনো হেপাটাইটিস বা জন্ডিস হতে পারে জন্ডিস, যদি হয়ে যায় তখন আমাদের দেশে যেটা সচরাচর করে থাকে প্রাথমিক অবস্থায় যদি জ্বর থাকে ছোটখাটো ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিন অনেক সময় তারা ধরতে ও পারে না রোগ দিতে না পারায় অনেক সময় তাদের বিভিন্ন ওষুধ দিয়ে থাকে যেমন হাই প্যারাসিটামল বিভিন্ন ওষুধ অনেকে ভুল করে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকে,
মনে রাখতে হবে ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া গত দুই তিন বছর ধরে আমাদের দেশে অন্যতম আলোচিত রোগ.
এ রোগের ক্ষেত্রেও স্বল্প লক্ষণ প্রথমে দেখা দেয় সবার প্রথম এ জ্বর ই হয়ে থাকে খাবার রুচি নাই ,বমি বমি ভাব ইত্যাদি এসব লক্ষণ সুতরাং প্রাথমিক অবস্থায় আসল রোগ ধরাটা অত্যন্ত জরুরী.
যদি আসল রোগ টি না অন্য রোগী হবে তার চিকিৎসা করে বা সেই রোগ অনুসারে ওষুধ দেয় তাহলে তা রোগীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক যেমন হেপাটাইটিস বা জন্ডিস রোগের ক্ষেত্রে যোদি আসল রোগটি জানতে হয় তাহলে কিছু কিছু বিষয় এ চিকিৎসককে অবশ্যই জানতে হবে.
আমাদের দেশে সমস্যা হল সাধারণ জ্বর ভেবে দোকানের কাছে অনেক সময় জিজ্ঞেস করে যে কি ওষুধ খেতে হবে বা  কেউ কেউ প্যারাসিটামল কিনে খায় সাধারণ জ্বর ভেবে কিন্তু যখন জন্ডিসের লক্ষণ চোখ  হলুদ হয়ে যায় তখন তারা অভিহিত করলো রোগটি জন্ডিস হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের ভুল ধারণা আছে.
হেপাটাইটিস বা জন্ডিস রোগের কোন বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা নাই মানুষ যা করে কবিরাজের পরামর্শ নেয় কিছু কিছু অদ্ভুত চিকিৎসা করে থাকে যেমন ,
বারবার হাত ধোয়া হাত ধুলে শরীরের রোগ হাত থেকে বের হয়ে যাবে, নিম পাতার রস বিভিন্ন ছালের রস ইত্যাদি খাওয়ায় থাকে এসব করলেই মনে হয় রোগটি ভালো হয়ে যাবে নাম জানা বা নাম না জানা কতইনা আয়ুর্বেদিক ওষুধ।
তারা খেয়ে থাকে শিক্ষিত মানুষ আত্মসচেতন মানুষ ও এসব বোকার মতো কাজ করে থাকে কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক এই. যে আয়ুর্বেদিক ওষুধ গুলো বা গাছরার যে উপাদান গুলো যা আমরা ব্যবহার করছি জন্ডিসের চিকিৎসা হিসেবে এটা কোন বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণ নেই ,যেগুলো জন্ডিস ঠিক করতে পারবে কখনো বিজ্ঞানসম্মত দিক দিয়ে এটা প্রমাণ করতে পারিনি যে এসব করলে জন্ডিস রোগ ঠিক হয়ে যাবে ,প্রমাণ করা হয়নি যে এসব কবিরাজি বা গাছ গাছড়ার ঔষধ খেলে জন্ডিস ভালো হয়ে যায়।
আরো প্রমাণ করে দেখা গেছে যে এ যেসব গাছ গাছড়ার ঔষধ বা কবিরাজি ঔষধ এগুলো লিভারের আরো অনেক ক্ষতি করছে।
যেমন উদাহরণ দেয়া যাক পৃথিবী তে সবচেয়ে বেশি লিভারের রোগ হয় জাপান এবং চায়নায় এর কারণ হলো চাইনিজ এবং জাপানিরা সবচেয়ে বেশি হারবাল গাছগাছালির চিকিৎসা করে কোন ওষুধের দোকানে যায়না এসবের দীর্ঘমেয়াদি রোগ বা প্রভাব হচ্ছে এসব লিভারের ক্ষতি করে থাকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে জ্ঞান বা জানা না থাকায় তারা এসব কার্য করে থাকেন কিন্তু বর্তমানে চাইনিজরা এবং জাপানিজরা এসব জানতে পেরে আস্তে আস্তে সব দিক থেকে সরে এসেছে এজন্য আস্তে আস্তে তাদের দেশে এ রোগের প্রভাব কমে আসছে হেপাটাইটিস বর্তমানে চায়না এবং জাপানি আমরা আগের তুলনায় কমই দেখতে পাই ।
কিন্তু আমাদের কোনভাবে কবিরাজি ওষুধ গাছ-গাছালির ওষুধ এসব দীর্ঘমেয়াদী রোগ হলে খাওয়া যাবেনা প্রথমে বুঝতে পারব না কিন্তু ধীরে ধীরে এগুলা মারে শরিলে দীর্ঘমেয়াদি রোগ সৃষ্টি করছে অনেক সময় পরে জানতে পেরেও আর সে রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব হয় না কারণ তখন তা অনেক খারাপ পর্যায়ে পৌঁছে যায় যার চিকিৎসা অনেকসময় চিকিৎসকদের পক্ষে সম্ভব হয় না অনুগ্রহপূর্বক আমরা কখনোই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন রোগে র ঔষধ খাব না তাতে আমাদেরই হবে কবিরাজি ওষুধ লিভার ফাংশন কে ভালো করার জায়গা আরো অনেক বেশি খারাপ করে ফেলে তাই আমরা কখনই কবিরাজি চিকিৎসা আশেপাশেও যাব না। 

আরো আরেকটি জিনিস আমাদের দেশে করা হয় যখন একজন ব্যক্তি হেপাটাইটিস বা জন্ডিস রোগের আক্রান্ত হল রোগীকে জোর করে পেঁপের তরকারি সাদা তরকারি কলার তরকারি সবজি ইত্যাদি বেশি বেশি খাওয়ানো হয়। কারণ চোখ হলুদ হয়ে গেছে সুতরাং হলুদ যুক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা কিন্তু জন্ডিস হলে চোখ হলুদ হয় আমাদের রক্তের ভেতর একটা রাসায়নিক পদার্থের কারণে হবে সেই রাসায়নিক পদার্থটির রং হলুদ জন্ডিস হলে আমাদের চোখ হলুদ হয়ে যায় সেহেতু চোখের হলুদের সাথে তরকারি হলুদের কোনরকম কোন সম্পর্ক নাই ।
একজন সুস্থ মানুষ ই সাদা তরকারি পেঁপের তরকারি হলুদ ছাড়া তরকারি তাই খেতে পারে না তাহলে একজন অসুস্থ মানুষ কি করে এসব খাবার খাবে তাতে আরও তাদের শরীর দুর্বল হয়ে যাবে শরীরের ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই হবে না অনুগ্রহপূর্বক একজন অসুস্থ রোগীর সাথে এরকম কখনোই করা যাবে না তাকে আরও স্বাদ যুক্ত খাবার খাওয়াতে হবে ।
অনেকে আবার রোগীকে ফলের রস, আখের রস, গুড়ের শরবত ইত্যাদি খাওয়ায় কিন্তু এগুলো পেটের মধ্যে গিয়ে হজম হয় না আরও পেটের মধ্যে বিভিন্ন রকমের সমস্যা সৃষ্টি করে.
যেমন গ্যাস্টিকের সমস্যা তাই আমরা অবশ্যই একজন হেপাটাইটিস রোগীকে এরকম ফলের রস খাওয়াবো না। যাতে তাদের লিভার দুর্বল হয়ে যায় তাতেও তাদের পেটের মধ্যে তাতেও তাদের পেটের মধ্যে মদের মতো পদার্থ উৎপন্ন হয়ে যাবে এতে আরো  তাদের শরীরের বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয় তোদের ঘুম ঘুম ভাব হয়  পেট ব্যথা করে বমি বমি ভাব হয় ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয় রোগীকে যাও ভাত নরম চালের ভাত খিচুড়ি খাওয়ানো যেতে পারে সুপ খাওয়াতে পারি স্যালাইন খাওয়াতে পারি  পারি থাকতে ডায়াবেটিস রোগীদের এক্ষেত্রে সাবধানে থাকতে হবে সব ধরনের খাবার খাওয়ানো যাবে এবং বিশ্রাম করতে হবে জন্ডিস রোগের জন্ডিস রোগের ক্ষেত্রে দিনে দেড় থেকে দুই লিটার পানি খাওয়াই যথেষ্ট এসব করলে রোগী ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যাবে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই এভাবে চিকিৎসা করলে বা নিয়ম মেনে  মেনে চললে হেপাটাইটিস বা জন্ডিস রোগ পরিত্যাগ করা সম্ভব।
কোন রকম জটিলতা দেখা দিলে অবশ্যই অবশ্যই হসপিটালে ভর্তি করতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।
তাহলে এর থেকে মুক্তি তাহলে এর থেকে মুক্তি সম্ভব আমাদের দেশে আমাদের দেশে  লিভারের দীর্ঘমেয়াদি রোগের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে লিভারের হেপাটাইটিস বি এবং সি ইনফেকশন সেখান থেকে তৈরি হয় ।
লিভার সিরোসিস লিভার সিরোসিস এ এ কারণ ছাড়া লিভার সিরোসিস আরো বিভিন্ন লিভার সিরোসিস আরও বিভিন্ন কারণে হতে পারে বর্তমানে লিভারে আরেকটি অন্যতম বর্তমানে লিভারে আরেকটি অন্যতম রোগ  এবং আমাদের দেশসহ বিশ্বব্যাপী সকল জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে সকল জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই লোকটি সেই রোগটি ফ্যাটি এসিড  ভাইরাস যখন দীর্ঘদিন বি ভাইরাস যখন দীর্ঘদিন হয়ে যায় পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাওয়া যায় না ,
তখন এ রোগ প্রতিকার করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায় বিভিন্নভাবে রোগ ছড়ায় এর একটি প্রধান মাধ্যম  রক্তের মাধ্যমে ছড়ানো ।
কোন মায়ের যদি এ ভাইরাস থাকে তাহলে সহজেই সেটি তার বাচ্চার ও হতে পারে এজন্য কোনো লক্ষণ দেখাদেখা, দিলে আগে পরীক্ষা নিরীক্ষা করব তাহলে এ রোগ দীর্ঘমেয়াদি হবে না।
এভাবেই এ রোগ প্রতিকার করা সম্ভব  এর প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব , আমাদের আশেপাশের সবাইকে স্বাস্থ্যসচেতন করব এবং এ সকল বিষয়ে জ্ঞান দেব যাতে তারা এ রোগ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হয় সকল কাজের মাধ্যমে সকল কাজের মাধ্যমে আমাদের দেশে এ রোগ কমিয়ে আনা সম্ভব ।

সকলকে স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার চেষ্টা করব এবং নিজে সুস্থ থাকব এবং অপরকে সুস্থ থাকার জন্য সচেতন থাকতে বলবো হেপাটাইটিস বা জন্ডিস রোগ ,স্বল্পমেয়াদী হলে সেরে যায় কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদী হলে তার মৃত্যুর কারণ হয়.
স্বল্পমেয়াদী হলে সেরে যায় কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী হলে তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায় ।
এজন্য এ রোগ সম্পর্কে  আমরা সকলকে সচেতন করবো তাহলে আমাদের দেশের মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব।

Where can I get the hepatitis B vaccine

Where can I get the hepatitis B vaccine

Leave a Reply